ঢাকা    ,
সংবাদ শিরোনাম : বসুরহাটে যানজট নিরসনে প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান, স্বস্তি চায় জনগণ প্রতিবন্ধীদের মাঝে ‘আশার আলো কল্যাণ সংস্থা’র খাদ্য সামগ্রী বিতরণ​: কোম্পানীগঞ্জে খাজা আবুল খায়ের শিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিল ১,৭০০ শিক্ষার্থী বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের নোয়াখালী জেলা ও শহর শাখার নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা কোম্পানীগঞ্জে জামায়াতের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা, চেয়ারম্যান-মেয়র পদে ১১ জন চরফকিরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী নজরুল ইসলাম জহির চরফকিরা ইউপি নির্বাচন: ১১ মনোনয়নপ্রত্যাশী, যোগ্য কে? আসন্ন সিরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় মোহাম্মদনগরের আলহাজ্জ আব্দুস ছাত্তার কাজীরহাটে মুক্ত পাঠাগারের কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা আহত প্রধান শিক্ষক আমির হোসেনের বাসায় ঐক্যজোট নেতৃবৃন্দ :দ্রুত সুস্থতা কামনা

কোম্পানীগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতের বিল ছাড়ে বিলম্বের অভিযোগ উঠেছে:

কোম্পানীগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতের বিল ছাড়ে বিলম্বের অভিযোগ উঠেছে:

কোম্পানীগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতের বিল ছাড়ে বিলম্বের অভিযোগ উঠেছে:

নবজ্যোতি রিপোর্ট ডেস্ক:

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বিভিন্ন খাতের বরাদ্দের বিল ছাড়ে বিলম্ব এবং ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তা।একাধিক প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক অভিযোগ করেন, উপজেলার প্রায় ৯০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কন্টিনজেন্সি বিল, বিদ্যুৎ বিল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বাবদ বিল, বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপনের ব্যয়, প্রাক্-প্রাথমিক শিক্ষার উপকরণ ক্রয় এবং ক্রীড়া কার্যক্রমের বরাদ্দের বিল ১২ জুলাই পর্যন্তও ছাড় করা হয়নি।

তাদের দাবি, অবৈধ অর্থ না দেওয়ায় এসব বিল আটকে রাখা হয়েছে।অভিযোগে আরও বলা হয়, ‘অডিট খরচ’-এর কথা বলে বিল ছাড়ের ক্ষেত্রে অবৈধ অর্থ দাবি করা হচ্ছে।

এ অর্থ সংগ্রহে কয়েকজন অসাধু প্রধান শিক্ষক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে উপজেলার অধিকাংশ প্রধান শিক্ষক শিক্ষা অফিস ও কয়েকজন শিক্ষক নেতার কাছে জিম্মি অবস্থায় রয়েছেন বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহা. আশরাফ-উল-আলম অভিযোগের সত্যতা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “অফিসে জনবল সংকটের কারণে বিল প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। আজই বিলগুলো ছাড় করে দেওয়া হবে।

ঘুষ বা অবৈধ অর্থ দাবি করার অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই।”এদিকে অভিযোগকারী শিক্ষকদের দাবি, বিল ছাড়ের পুরো প্রক্রিয়া নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

Comments (0)

Be the first to comment on this article.


Leave a comment

Your comment will be reviewed before publication.