ঢাকা    ,
সংবাদ শিরোনাম : বসুরহাটে শাহজালাল মার্কেটে আগুন,আহত ২ ক্ষয়ক্ষতি দেড় কোটি টাকাঃ কোম্পানীগঞ্জে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিতঃ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে কোম্পানীগঞ্জে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত: কোম্পানীগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিতঃ মুছাপুর ক্লোজার নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত বাংলাবাজার সেতুর নিচে ডুবোবাঁধের প্রস্তাব: ইসলাম কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের সমার্থক নয়’- মোঃ নাসির চৌধুরী: নবগঠিত অ্যাডহক কমিটির সভাপতিকে ফুলেল সংবর্ধনা, শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ: নোয়াখালী শহরে ২নং ওয়ার্ডে ইসলামী ছাত্র মজলিসের উদ্যোগে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত: কোম্পানীগঞ্জে ‘উদয় বৃত্তি-২০২৬’ উদ্বোধন,শুরু হলো রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম: স্বাধীনতার ৫৫ বছরে বাংলাদেশ উন্নয়ন হয়েছে,কিন্তু ইসলামী শিক্ষা ও নৈতিক রাষ্ট্র গঠনে কতটা অগ্রগতি?

কোম্পানীগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতের বিল ছাড়ে বিলম্বের অভিযোগ উঠেছে:

কোম্পানীগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতের বিল ছাড়ে বিলম্বের অভিযোগ উঠেছে:

কোম্পানীগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতের বিল ছাড়ে বিলম্বের অভিযোগ উঠেছে:

নবজ্যোতি রিপোর্ট ডেস্ক:

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বিভিন্ন খাতের বরাদ্দের বিল ছাড়ে বিলম্ব এবং ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তা।একাধিক প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক অভিযোগ করেন, উপজেলার প্রায় ৯০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কন্টিনজেন্সি বিল, বিদ্যুৎ বিল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বাবদ বিল, বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপনের ব্যয়, প্রাক্-প্রাথমিক শিক্ষার উপকরণ ক্রয় এবং ক্রীড়া কার্যক্রমের বরাদ্দের বিল ১২ জুলাই পর্যন্তও ছাড় করা হয়নি।

তাদের দাবি, অবৈধ অর্থ না দেওয়ায় এসব বিল আটকে রাখা হয়েছে।অভিযোগে আরও বলা হয়, ‘অডিট খরচ’-এর কথা বলে বিল ছাড়ের ক্ষেত্রে অবৈধ অর্থ দাবি করা হচ্ছে।

এ অর্থ সংগ্রহে কয়েকজন অসাধু প্রধান শিক্ষক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে উপজেলার অধিকাংশ প্রধান শিক্ষক শিক্ষা অফিস ও কয়েকজন শিক্ষক নেতার কাছে জিম্মি অবস্থায় রয়েছেন বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহা. আশরাফ-উল-আলম অভিযোগের সত্যতা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “অফিসে জনবল সংকটের কারণে বিল প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। আজই বিলগুলো ছাড় করে দেওয়া হবে।

ঘুষ বা অবৈধ অর্থ দাবি করার অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই।”এদিকে অভিযোগকারী শিক্ষকদের দাবি, বিল ছাড়ের পুরো প্রক্রিয়া নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

Comments (0)

Be the first to comment on this article.


Leave a comment

Your comment will be reviewed before publication.