ঢাকা    ,
সংবাদ শিরোনাম : বসুরহাটে যানজট নিরসনে প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান, স্বস্তি চায় জনগণ প্রতিবন্ধীদের মাঝে ‘আশার আলো কল্যাণ সংস্থা’র খাদ্য সামগ্রী বিতরণ​: কোম্পানীগঞ্জে খাজা আবুল খায়ের শিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিল ১,৭০০ শিক্ষার্থী বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের নোয়াখালী জেলা ও শহর শাখার নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা কোম্পানীগঞ্জে জামায়াতের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা, চেয়ারম্যান-মেয়র পদে ১১ জন চরফকিরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী নজরুল ইসলাম জহির চরফকিরা ইউপি নির্বাচন: ১১ মনোনয়নপ্রত্যাশী, যোগ্য কে? আসন্ন সিরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় মোহাম্মদনগরের আলহাজ্জ আব্দুস ছাত্তার কাজীরহাটে মুক্ত পাঠাগারের কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা আহত প্রধান শিক্ষক আমির হোসেনের বাসায় ঐক্যজোট নেতৃবৃন্দ :দ্রুত সুস্থতা কামনা

চৌধুরীহাটে পূর্ণাঙ্গ ডাকঘরের দাবিতে এলাকাবাসী পোস্ট কোড জটিলতায় চরম ভোগান্তি:

চৌধুরীহাটে পূর্ণাঙ্গ ডাকঘরের দাবিতে এলাকাবাসী পোস্ট কোড জটিলতায় চরম ভোগান্তি:

চৌধুরীহাটে পূর্ণাঙ্গ ডাকঘরের দাবিতে এলাকাবাসী

পোস্ট কোড জটিলতায় চরম ভোগান্তি:

নব জ্যোতি রিপোর্ট ডেস্ক :

নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা-এর ২ নম্বর চরপার্বতী ইউনিয়ন-এর চৌধুরীহাট এলাকায় একটি শাখা ডাকঘর থাকলেও স্বতন্ত্র পোস্ট কোড না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা, বিশেষ করে প্রবাসীরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, চিঠিপত্র, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও বিভিন্ন ডাকসেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে পোস্ট কোড জনিত সমস্যার কারণে অনেক সময় প্রাপকের কাছে সময়মতো চিঠি পৌঁছায় না।

এতে সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনীয় হয়রানির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।এ বিষয়ে চরপার্বতী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মো. হানিফ আনসারী জানান, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ডাকঘরের পোস্ট কোড ৩৮৫০। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাজারে থাকা শাখা ডাকঘরগুলোতে বসুরহাট ডাকঘর থেকে চিঠিপত্র বিতরণ করা হয়।

কিন্তু চৌধুরীহাটের জন্য পৃথক ডাকঘর ও পোস্ট কোড না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।তিনি আরও বলেন,চৌধুরীহাট বাজারে স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, একাডেমি, মসজিদসহ প্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

কিন্তু একটি পূর্ণাঙ্গ ডাকঘর না থাকায় বিশেষ করে প্রবাসী ভাইয়েরা নিয়মিত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। একটি ডাকঘর স্থাপনের জন্য প্রায় ২ শতাংশ জমি ও একটি ঘরের প্রয়োজন।

এলাকার কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি অথবা সবাই মিলে উদ্যোগ নিলে এ কাজটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। এতে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের এই সমস্যা দূর হবে।

স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত চৌধুরীহাটে একটি পূর্ণাঙ্গ ডাকঘর স্থাপন এবং প্রয়োজনীয় ডাকসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Comments (0)

Be the first to comment on this article.


Leave a comment

Your comment will be reviewed before publication.